এনিউজ২৪.নেট॥ মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে পাইপ লাইনের মাধ্যমে গ্যাস নিতে চায় ভারত। এমন একটি গ্যাসপাইপ লাইন...
শফিকুজ্জামান॥ মাত্র ০১ মিনিট ০৫ সেকেন্ডে বিশ্বের ২২০টি দেশের নাম বলে গিনেসবুকে নাম লেখানোর দাবীদার সৈয়দ আবদুস সবুর।...
খুলনা,প্রতিনিধি॥ নানা আয়োজনে আজ খুলনায় আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য দিবস পালিত হয়। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হল “পানি...





নুরুল কবীর: বিচারপতি নিজামুল হক এবং জিয়াউল হকের স্কাইপ কথোপকথন ছেপে মাহমুদুর রহমান কোন আইনগত বা নৈতিক অপরাধ করেননি। বরং বিচারপতি নিজামুল হক এ কাজ করার মধ্য দিয়ে আদালত অবমাননা এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যক্রমকে কলঙ্কিত করেছেন। বিচারপতি নিজামুল হক যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য গঠিত ট্রাইব্যুনালকে সারা বিশ্বের কাছে ছোট করেছেন। এব্যাপারে মাহমুদুর রহমানের আগে তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার শাস্তি হওয়া উচিত। বিচারপতি নিজামুল হক যে কাজটি করেছেন তা জানানো সাংবাদিকের কর্তব্য ছিল। মাহমুদুর রহমান সে দায়িত্ব পালন করেছেন। উক্ত দলিলপত্র আমার কাছে থাকলে আমি প্রকাশ করতাম। যে অপরাধ করেছে তাকে শাস্তি না দিয়ে যে অপরাধ দেখিয়ে দিল তাকে শাস্তি দেওয়া একটি ভয়াবহ অন্যায়। গাহি পোড়ানো, ভাঙচুর করার মত ঘটনা আমরা আগে পত্রপত্রিকায় দেখিনি। পরিষ্কারভাবে বোঝা যায় এ অভিযোগ ভিত্তিহীন। তাকে মানুষের সামনে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য এ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ধনের কাজ অত্যন্ত নিন্দনীয়। দেশের সাংবাদিক এবং সম্পাদকদের ভীতির মধ্যে ঠেলে দেওয়ার হচ্ছে। কারণ এ ধরনের ঘটনা থেকেই সেন্সরশিপ তৈরি হয়ে থাকে। বর্তমান সরকারের ভাবাদর্শের সাথে মাহমুদুর রহমান দ্বি-মত প্রকাশ করেন। তার নিজস্ব রাজনৈতিক মতাদর্শ রয়েছে। মাহমুদুর রহমানের রাজনৈতিক ভাবাদর্শের সাথে আমি এক মত নই। কিন্তু একজন গণতান্ত্রিক পরায়ন নাগরিক এবং সংবাদকর্মী হিসিবে আমি মনে করি তার লিখে মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে। তাকে গ্রেপ্তার করে সরকার একটি অগণতান্ত্রিক স্বৈরাতান্ত্রিক মনোভাবের পরিচয় দিয়েছে। রিমান্ড সম্পর্কে বাংলাদেশের জনগণের ধারণা, রিমান্ডে নিয়ে নানা নির্যাতন এবং নিপীড়ন চালানো হয়। জোর করে স্বীকারোক্তি নেওয়া হয়। যা পরবর্তী কালে আদালতে যদিও টিকে না তথাপিও এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত নেতিবাচক।
লেখক: নুরুল কবীর, সম্পাদক, নিউ এজ।




তরিকুল আলম নিপ্পন ॥কোন জাতি বা দেশকে সম্ভাবনার পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া অসম্ভব কোন কাজ নয়। প্রয়োজন শুধু সেই দেশের রাষ্ট্রনায়কদের স্বদিচ্ছার প্রতিফলন। দেশের সার্বিক দায়িত্বে তারাই নিয়োজিত থাকেন। আর তাই দেশ পরিচালনা যারা করেন তাদের সদিচ্ছার উপর অনেক বিষয় নির্ভর করে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর তার উজ্জ্বলতম দৃষ্টান্ত। সিঙ্গাপুর একটি ক্ষুদ্র দেশ হলেও এই দেশটিতে স্বাধীনতা লাভের পর যারা নেতৃত্বে ছিলেন তারা সিঙ্গাপুরকে একটি সমৃদ্ধশালী দেশ হিসাবে বিশ্বে পরিচয় ঘটান। তেমনিভাবে মালয়েশিয়াকেও যারা নেতৃত্ব দিয়েছেন তারাও জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজটা করেছেন অতি দক্ষতার সাথে। মালয়েশিয়া পৃথিবীতে একটি পশ্চাৎপদ দেশ হিসাবে পরিচিত ছিল। দেশের এই পশ্চাৎপদ জাতিকে সফলতার মুখ দেখিয়েছেন মাহাতির মোহাম্মদ। তার স্বার্থক-সফল নেতৃত্বের মাধ্যমে মালয়েশিয়াবাসি সামনের দিকে এগিয়ে চলার সুপথ খুঁজে পেয়েছে। মালয়েশিয়াকে আর পশ্চাৎপদ হতে হয়নি। ধীরে ধীরে মালয়েশিয়া আধুনিক মালয়েশিয়া হিসাবে সমাদৃতি লাভ করে। আর এর জন্য আধুনিক মালয়েশিয়ার রূপকার হিসাবে মর্তের মাঝে মাহাতির মোহাম্মদের নাম চিরস্মরনীয় হয়ে থাকবে। বাংলাদেশ একটি অপার সম্ভাবনার দেশ। দেশকে সম্ভাবনার পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য শুধু সেই সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হবে। যার দ্বারা দেশ তার আশার প্রতিফলন দেখতে পাবে। কিন্তু স্বাধিনতার পর ৪১ বছর পেরিয়ে গেলেও এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর সার্থক পদক্ষেপ কেউ নেই নি। যার দরুণ এই জাতির ভাগ্যের চাকা এখনো ঘোরেনি। পাচ্ছে শুধু শোষণ আর বঞ্চণা। সম্ভাবনাময় এ জাতির ভাগ্যোন্নয়ন কখন ঘটবে তাতে আমরা অবগত নই। তবুও দেশবাসী আশাবাদী এদেশেও একদিন দেশ প্রেমিক নেতৃত্বের আগমন ঘটবে। যিনি সার্থক-সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসাবে দেশকে শক্ত হাতে পরিচালনা করবেন। দেশের মঙ্গল স্বার্থে যে কোন সার্থক-সফল কাজ করতে প্রস্তুত থাকবেন। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ম্যাকিয়াভেলীর মতে, রাষ্ট্রনায়ককে শেয়ালের মত ধূর্ত এবং সিংহের মত শক্তিশালী হতে হবে। যাতে করে যে কোন কুটকৌশল সম্পর্কে অবহিত হতে পারে এবং ন্যায়ের স্বার্থে শত্রুকে সহজে দমিয়ে রাখতে পারে। তাহলেই রাষ্ট্রনায়কের স্বার্থকতার প্রতিফলন ঘটবে। সেই দিন আর বেশি দূরে নয়, যেদিন বাংলাদেশেও সার্থক-সফল নেতৃত্বের আগমন ঘটবে আর জাতি পৃথিবির বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। বাংলাদেশকে নিয়ে যাবে সফলতার চরম শিখরে যা পৃথিবীর ইতিহাসে সার্থক-সফল দেশ হিসাবে পরিচিতি লাভ করবে।
লেখক॥ তরিকুল আলম নিপ্পন,স্টাফ রিপোর্টার,দৈনিক অন্যদিগন্ত

পরীক্ষায় ফেল করা ছাত্রদের পাস করিয়ে দেয়ার দাবিতে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে গত রোববার ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে ছাত্রলীগ ক্যাডাররা। গত সোমবার সহযোগী দৈনিক এ খবরটি দিয়েছে। এ হামলায় আহত হয়েছেন তিন শিক্ষক ও সাধারণ কর্মচারীসহ ১০ জন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কর্তৃপক্ষ অনির্দিষ্টকালের জন্য ইনস্টিটিউট বন্ধ করে দিয়েছে। গত সোমবার সকাল ৮টার মধ্যে ছাত্রদের হল ত্যাগ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আহত তিন শিক্ষক হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
খবর অনুযায়ী ইনস্টিটিউটের দ্বিতীয় সেমিস্টার পরীক্ষায় বিভিন্ন বিভাগের ৫০৩ জন ফেল করে। এর মধ্যে কেউ এক বিষয় কেউ দুই বিষয়ে রেফার্ড পায়। কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরের নিয়ম অনুসারে ৪০ দিন পর এসব ছাত্রের আবার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। চলতি মাসের ৩ তারিখ রেফার্ড পরীক্ষার রেজাল্ট প্রকাশিত হয়। এখানে ফেল করে ৫৫ জন। ১২০ নম্বরের পরীক্ষায় এদের অধিকাংশের নম্বর শূন্য থেকে ১০-এর নিচে ছিল। এই নম্বরপ্রাপ্ত 'কীর্তিমান' পরীক্ষার্থীসহ ফেল করাদের পাস করিয়ে দিতে হবে ছাত্রলীগ ক্যাডারদের এটাই দাবি। কারণ ফেল করাদের বেশিরভাগই ছাত্রলীগ ক্যাডারভুক্ত। শিক্ষার্থী হিসেবে ছাত্রলীগের এ অনভিপ্রেত দাবি এবং দাবি না মানায় তাদের তাণ্ডব সৃষ্টির ঘটনার আমরা নিন্দা করছি।
দু-একদিন আগে প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের একটি প্রতিনিধিদলের উদ্দেশে ভাষণদানকালে বলেছিলেন, ছাত্রলীগের প্রতিটি কর্মীকে লেখাপড়া করতে হবে। সবার আগে মানুষ হতে হবে। তারও কিছুদিন আগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রলীগের এমনই একটি হাঙ্গামা সৃষ্টির জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেছিলেন কতগুলো গুণ্ডা-বদমাশ সৃষ্টির জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় কাজ করছে না। এরই মধ্যে ঢাকা পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটে গত রোববার ছাত্রলীগের তাণ্ডব সৃষ্টির এ ঘটনা স¤পর্কে প্রধানমন্ত্রী এবং শিক্ষামন্ত্রী কী বলবেন। লেখাপড়া করা তো দূরের কথা। এখন ছাত্রলীগ পরীক্ষায় ফেল করলেও এবং শূন্য পেলেও তাদের পাস করিয়ে দেয়ার সহিংস আবদার করা হচ্ছে। সুতরাং একে কী ধরনের অগ্রগতি বলা যাবে সেটাই বিচার্য। নিজেদের ক্ষমতার আশীর্বাদপুষ্ট মনে করে দেশব্যাপীই সরকারের এই ৪টি বছর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রলীগ হামলা এবং সন্ত্রাসী তাণ্ডব চালিয়েছে। অভ্যন্তরীণ বিরোধে হত্যাও করেছে সহকর্মীদের। ছাত্রলীগের তাণ্ডবে সহিংস প্রকাশ ঘটলেই কেবল তা পত্রিকার পাতায় আসে। বাস্তব হলো দেশের প্রায় প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই ছাত্রলীগের নেতিবাচক প্রতাপের শিকার। অসহায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশাসন।
ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের এ ঘটনায় অপরাধী এবং জড়িত ছাত্রলীগের ক্যাডারদের বহিষ্কার করতে হবে আর এই বহিষ্কার শুধু ইনস্টিটিউট থেকেই নয়। খোদ দল থেকেও এদের বহিষ্কার করতে হবে। সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষক-কর্মচারীদের আহত করার অপরাধে এদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করতে হবে।
৪ বছরের শাসনামলে সরকারের যেসব জায়গায় অসফলতা হয়েছে তার জন্য এর সিংহভাগ দায়ী ছাত্রলীগের একশ্রেণীর ক্যাডার। সরকারকেই এর রাজনৈতিক খেসারত দিতে হচ্ছে। শিক্ষার পরিবেশ যেমন নষ্ট হচ্ছে তেমনি আক্রান্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকেও এর খেসারত দিতে হচ্ছে। এদের নিয়ন্ত্রণে না রাখতে পারার দায়ভার নিলেই চলবে না সরকারকে ছাত্রলীগের 'সন্ত্রাসী চরিত্রের' বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। ছাত্রলীগের ঔদ্ধত্যের সর্বশেষ দৃষ্টান্ত গত সোমবার ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ হল ত্যাগের নির্দেশ দিলেও এরা সেই নির্দেশ উপেক্ষা করে হল দখলেই রেখেছে।
Page 1 of 8
মোহাম্মদ মাসুদ ॥ আজ সেই কালো অধ্যায়ের শোকাভিত ৩০ মে। এ দিবসটি স্বাধীনতাকামী বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের জন্য শোকাহত...
কূটনৈতিক রিপোর্টার: শাপলা চত্বরের ঘটনাকে ‘মর্মান্তিক’ উল্লেখ করে বৃটিশ ফরেন অফিস মিনিস্টার ব্যারনেস সাঈদা ওয়ার্সি...
অন্যদিগন্ত নিউজ॥ আজ ২৪মে শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে ১০তম আইডিসি জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও ২০তম বর্ষপূর্তি উৎসব-১৩। আইডিয়াল ডিবেটিং ক্লাব...
24 May 2013 Read more...মোঃতৌহিদুল ইসলাম রাসেল॥ অটিজম শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ আউটোস থেকে৷ অর্থাৎ আত্ম বা নিজ৷ বিশেষ ধরনের স্নায়ুবিক (ডিসঅর্ডার অব নিউরাল...
Read more...আজ ১ লা বৈশাখ পূর্ন হলো ২১, কিন্তু আজও আমি একা আর এই একাকিত্ব জীবন কে সত্য ও সুন্দর করে সাজাতে চাই। একজন জীবন সঙ্গী পেয়ে স্বপ্ন কে বাস্তবে...
Read more...|
সম্পাদক: মোহাম্মদ মাসুদ
অন্যদিগন্ত নিউজ (এনিউজ ২৪ ডট নেট) |